ছুটির পর আবারও অর্ধদিবস কর্মবিরতিতে বাকৃবির শিক্ষকরা

ছুটির পর আবারও অর্ধদিবস কর্মবিরতিতে বাকৃবির শিক্ষকরা। ঈদুল আজহার ১২ দিনের ছুটি শেষে মঙ্গলবার (২৫ জুন) থেকে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) নিয়মিত ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হয়েছে। তবে নিয়মিত ক্লাস-পরীক্ষা শুরুর দিন থেকেই পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী অর্ধদিবস কর্মবিরতিতে যান বাকৃবির শিক্ষকরা।সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা পেনশন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারসহ সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি এবং শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তনের দাবিতে এ কর্মবিরতি পালন করেন তারা।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) থেকে বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত শিক্ষকরা কর্মবিরতি পালন করবেন এবং একইসাথে সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন আমতলায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন। তবে ফাইনাল পরীক্ষাসমূহ কর্মবিরতি কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।

ছুটির পর আবারও অর্ধদিবস কর্মবিরতিতে বাকৃবির শিক্ষকরা

বাকৃবি শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. তানভীর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহ্বানে শিক্ষকরা এসব কর্মসূচি পালন করেছেন।

ছুটির পর আবারও অর্ধদিবস কর্মবিরতিতে বাকৃবির শিক্ষকরা

শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, ২৭ জুন পর্যন্ত বাকৃবির সকল শিক্ষক সম্মলিতভাবে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করবেন। এছাড়া ৩০জুন পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করা হবে। তবে এই দিনগুলোতে ক্লাসটেস্ট ও সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা অব্যাহত থাকবে। যদি ৩০ জুনের মাঝে শিক্ষকদের দাবি পূরণ না হলে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সিদ্ধান্তের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে ১জুলাই থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করা হবে।

 

সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাতিল না হলে ৩০ জুন পূর্ণদিবস কর্মবিরতি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের

এর আগে গত ১৩ মার্চ অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক সার্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হলে তখন থেকেই প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। তাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে আন্দোলন করে যাচ্ছিল বাকৃবির শিক্ষক সমিতি। তবে তারও আগে দাবি জানানোর পাশাপাশি মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান এবং অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেছিলো বাকৃবির শিক্ষক সমিতি।

আরও দেখুনঃ