ক্যামেলিয়া কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ক্যামেলিয়া কবিতা – বলধা গার্ডেনের হাজারো উদ্ভিদের ভিড়ে ক্যামেলিয়া কবিকে বেশি আকৃষ্ট করেছিল। তাই ক্যামেলিয়া ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে কলকাতা ফিরে গিয়ে ১৩৩৯ বঙ্গাব্দের ২৭ শ্রাবণ কবি তার বিখ্যাত ‘ক্যামেলিয়া’ কবিতা লিখেছিলেন, যা পুনশ্চ কাব্যগ্রন্থের অর্ন্তগত। পরবর্তী সময়ে এ কবিতা নিয়ে চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে।

 

ক্যামেলিয়া কবিতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ক্যামেলিয়া কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এফআরএএস (৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগস্ট ১৯৪১; ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ – ২২ শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে “গুরুদেব”, “কবিগুরু” ও “বিশ্বকবি” অভিধায় ভূষিত করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তার জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়।

তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত। এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি এশীয়দের মধ্যে সাহিত্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার “অভিলাষ” কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান। ১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন।

 ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করেন।

কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন।১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘজীবনে তিনি বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং সমগ্র বিশ্বে বিশ্বভ্রাতৃত্বের বাণী প্রচার করেন। ১৯৪১ সালে দীর্ঘ রোগভোগের পর কলকাতার পৈত্রিক বাসভবনেই তার মৃত্যু হয়।

 

ক্যামেলিয়া কবিতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 

ক্যামেলিয়া কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 

নাম তার কমলা,

দেখেছি তার খাতার উপরে লেখা।

সে চলেছিল ট্রামে, তার ভাইকে নিয়ে কলেজের রাস্তায়।

আমি ছিলেম পিছনের বেঞ্চিতে।

মুখের এক পাশের নিটোল রেখাটি দেখা যায়,

আর ঘাড়ের উপর কোমল চুলগুলি খোঁপার নীচে।

কোলে তার ছিল বই আর খাতা।

যেখানে আমার নামবার সেখানে নামা হল না।

এখন থেকে সময়ের হিসাব করে বেরোই–

সে হিসাব আমার কাজের সঙ্গে ঠিকটি মেলে না,

প্রায় ঠিক মেলে ওদের বেরোবার সময়ের সঙ্গে,

প্রায়ই হয় দেখা।

মনে মনে ভাবি, আর-কোনো সম্বন্ধ না থাক্‌,

ও তো আমার সহযাত্রিণী।

নির্মল বুদ্ধির চেহারা

ঝক্‌ঝক্‌ করছে যেন।

সুকুমার কপাল থেকে চুল উপরে তোলা,

উজ্জ্বল চোখের দৃষ্টি নিঃসংকোচ।

মনে ভাবি একটা কোনো সংকট দেখা দেয় না কেন,

উদ্ধার করে জন্ম সার্থক করি–

রাস্তার মধ্যে একটা কোনো উৎপাত,

কোনো-একজন গুণ্ডার স্পর্ধা।

এমন তো আজকাল ঘটেই থাকে।

কিন্তু আমার ভাগ্যটা যেন ঘোলা জলের ডোবা,

বড়ো রকম ইতিহাস ধরে না তার মধ্যে,

নিরীহ দিনগুলো ব্যাঙের মতো একঘেয়ে ডাকে–

না সেখানে হাঙর-কুমিরের নিমন্ত্রণ, না রাজহাঁসের।

একদিন ছিল ঠেলাঠেলি ভিড়।

কমলার পাশে বসেছে একজন আধা-ইংরেজ।

ইচ্ছে করছিল, অকারণে টুপিটা উড়িয়ে দিই তার মাথা থেকে,

ঘাড়ে ধরে তাকে রাস্তায় দিই নামিয়ে।

কোনো ছুতো পাই নে, হাত নিশ্‌পিশ্‌ করে।

এমন সময়ে সে এক মোটা চুরোট ধরিয়ে

টানতে করলে শুরু।

কাছে এসে বললুম, “ফেলো চুরোট।’

যেন পেলেই না শুনতে,

ধোঁওয়া ওড়াতে লাগল বেশ ঘোরালো করে।

মুখ থেকে টেনে ফেলে দিলেম চুরোট রাস্তায়।

হাতে মুঠো পাকিয়ে একবার তাকালো কট্‌মট্‌ ক’রে–

আর কিছু বললে না, এক লাফে নেমে গেল।

বোধ হয় আমাকে চেনে।

আমার নাম আছে ফুটবল খেলায়,

বেশ একটু চওড়া গোছের নাম।

লাল হয়ে উঠল মেয়েটির মুখ,

বই খুলে মাথা নিচু করে ভান করলে পড়বার।

হাত কাঁপতে লাগল,

কটাক্ষেও তাকালে না বীরপুরুষের দিকে।

আপিসের বাবুরা বললে, “বেশ করেছেন মশায়।’

একটু পরেই মেয়েটি নেমে পড়ল অজায়গায়,

একটা ট্যাক্সি নিয়ে গেল চলে।

পরদিন তাকে দেখলুম না,

তার পরদিনও না,

তৃতীয় দিনে দেখি

একটা ঠেলাগাড়িতে চলেছে কলেজে।

বুঝলুম, ভুল করেছি গোঁয়ারের মতো।

ও মেয়ে নিজের দায় নিজেই পারে নিতে,

আমাকে কোনো দরকারই ছিল না।

আবার বললুম মনে মনে,

ভাগ্যটা ঘোলা জলের ডোবা–

বীরত্বের স্মৃতি মনের মধ্যে কেবলই আজ আওয়াজ করছে

কোলাব্যাঙের ঠাট্টার মতো।

ঠিক করলুম ভুল শোধরাতে হবে।

খবর পেয়েছি গরমের ছুটিতে ওরা যায় দার্জিলিঙে।

সেবার আমারও হাওয়া বদলাবার জরুরি দরকার।

ওদের ছোট্ট বাসা, নাম দিয়েছে মতিয়া–

রাস্তা থেকে একটু নেমে এক কোণে

গাছের আড়ালে,

সামনে বরফের পাহাড়।

শোনা গেল আসবে না এবার।

ফিরব মনে করছি এমন সময়ে আমার এক ভক্তের সঙ্গে দেখা,

মোহনলাল–

রোগা মানুষটি, লম্বা, চোখে চশমা,

দুর্বল পাকযন্ত্র দার্জিলিঙের হাওয়ায় একটু উৎসাহ পায়।

সে বললে, “তনুকা আমার বোন,

কিছুতে ছাড়বে না তোমার সঙ্গে দেখা না করে।’

মেয়েটি ছায়ার মতো,

দেহ যতটুকু না হলে নয় ততটুকু–

যতটা পড়াশোনায় ঝোঁক, আহারে ততটা নয়।

ফুটবলের সর্দারের ‘পরে তাই এত অদ্ভুত ভক্তি–

মনে করলে আলাপ করতে এসেছি সে আমার দুর্লভ দয়া।

হায় রে ভাগ্যের খেলা!

যেদিন নেমে আসব তার দু দিন আগে তনুকা বললে,

“একটি জিনিস দেব আপনাকে, যাতে মনে থাকবে আমাদের কথা–

একটি ফুলের গাছ।’

এ এক উৎপাত। চুপ করে রইলেম।

তনুকা বললে, “দামি দুর্লভ গাছ,

এ দেশের মাটিতে অনেক যত্নে বাঁচে।’

জিগেস করলেম, “নামটা কী?’

সে বললে “ক্যামেলিয়া’।

চমক লাগল–

আর-একটা নাম ঝলক দিয়ে উঠল মনের অন্ধকারে।

হেসে বললেম, “ক্যামেলিয়া,

সহজে বুঝি এর মন মেলে না।’

তনুকা কী বুঝলে জানি নে, হঠাৎ লজ্জা পেলে,

খুশিও হল।

চললেম টবসুদ্ধ গাছ নিয়ে।

দেখা গেল পার্শ্ববর্তিনী হিসাবে সহযাত্রিণীটি সহজ নয়।

একটা দো-কামরা গাড়িতে

টবটাকে লুকোলেম নাবার ঘরে।

থাক্‌ এই ভ্রমণবৃত্তান্ত,

বাদ দেওয়া যাক আরো মাস কয়েকের তুচ্ছতা।

পুজোর ছুটিতে প্রহসনের যবনিকা উঠল

সাঁওতাল পরগনায়।

জায়গাটা ছোটো। নাম বলতে চাই নে–

বায়ুবদলের বায়ু-গ্রস্তদল এ জায়গার খবর জানে না।

কমলার মামা ছিলেন রেলের এঞ্জিনিয়র।

এইখানে বাসা বেঁধেছেন

শালবনে ছায়ায়, কাঠবিড়ালিদের পাড়ায়।

সেখানে নীল পাহাড় দেখা যায় দিগন্তে,

অদূরে জলধারা চলেছে বালির মধ্যে দিয়ে,

পলাশবনে তসরের গুটি ধরেছে,

মহিষ চরছে হর্তকি গাছের তলায়–

উলঙ্গ সাঁওতালের ছেলে পিঠের উপরে।

বাসাবাড়ি কোথাও নেই,

তাই তাঁবু পাতলেম নদীর ধারে।

সঙ্গী ছিল না কেউ,

কেবল ছিল টবে সেই ক্যামেলিয়া।

কমলা এসেছে মাকে নিয়ে।

রোদ ওঠবার আগে

হিমে-ছোঁওয়া স্নিগ্ধ হাওয়ায়

শাল-বাগানের ভিতর দিয়ে বেড়াতে যায় ছাতি হাতে।

মেঠো ফুলগুলো পায়ে এসে মাথা কোটে,

কিন্তু সে কি চেয়ে দেখে।

অল্পজল নদী পায়ে হেঁটে

পেরিয়ে যায় ও পারে,

সেখানে সিসুগাছের তলায় বই পড়ে।

আর আমাকে সে যে চিনেছে

তা জানলেম আমাকে লক্ষ্য করে না বলেই।

একদিন দেখি নদীর ধারে বালির উপর চড়িভাতি করছে এরা।

ইচ্ছে হল গিয়ে বলি, আমাকে দরকার কি নেই কিছুতেই।

আমি পারি জল তুলে আনতে নদী থেকে–

পারি বন থেকে কাঠ আনতে কেটে,

আর, তা ছাড়া কাছাকাছি জঙ্গলের মধ্যে

একটা ভদ্রগোছের ভালুকও কি মেলে না।

দেখলেম দলের মধ্যে একজন যুবক–

শট্‌-পরা, গায়ে রেশমের বিলিতি জামা,

কমলার পাশে পা ছড়িয়ে

হাভানা চুরোট খাচ্ছে।

আর, কমলা অন্যমনে টুকরো টুকরো করছে

একটা শ্বেতজবার পাপড়ি,

পাশে পড়ে আছে

বিলিতি মাসিক পত্র।

মুহূর্তে বুঝলেম এই সাঁওতাল পরগনার নির্জন কোণে

আমি অসহ্য অতিরিক্ত, ধরবে না কোথাও।

তখনি চলে যেতেম, কিন্তু বাকি আছে একটি কাজ।

আর দিন-কয়েকেই ক্যামেলিয়া ফুটবে,

পাঠিয়ে দিয়ে তবে ছুটি।

সমস্ত দিন বন্দুক ঘাড়ে শিকারে ফিরি বনে জঙ্গলে,

সন্ধ্যার আগে ফিরে এসে টবে দিই জল

আর দেখি কুঁড়ি এগোল কত দূর।

সময় হয়েছে আজ।

যে আনে আমার রান্নার কাঠ।

ডেকেছি সেই সাঁওতাল মেয়েটিকে।

তার হাত দিয়ে পাঠাব

শালপাতার পাত্রে।

তাঁবুর মধ্যে বসে তখন পড়ছি ডিটেকটিভ গল্প।

বাইরে থেকে মিষ্টিসুরে আওয়াজ এল, “বাবু, ডেকেছিস কেনে।’

বেরিয়ে এসে দেখি ক্যামেলিয়া

সাঁওতাল মেয়ের কানে,

কালো গালের উপর আলো করেছে।

সে আবার জিগেস করলে, “ডেকেছিস কেনে।’

আমি বললেম, “এইজন্যেই।’

তার পরে ফিরে এলেম কলকাতায়।

ক্যামেলিয়া কবিতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ক্যামেলিয়া কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 

ক্যামেলিয়া কবিতা এর বিস্তারিত:

পুরান ঢাকার বলধা গার্ডেনের সিবলি অংশে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হচ্ছে ‘ক্যামেলিয়া হাউস’। ক্যামেলিয়া হাউসে বিভিন্ন ধরনের ক্যামেলিয়া ফুলগাছ দিয়ে ভরা। ডিসেম্বর মাস এলেই গাছে ঝেঁপে আসে ক্যামেলিয়া ফুল। এর পাতা গাঢ় সবুজ। ক্যামেলিয়া দেখতে অনেকটা গোলাপ ফুলের মতো হলেও সৌন্দর্যে ক্যামেলিয়ার তুলনা শুধু ক্যামেলিয়াই।

বলধা গার্ডেন দেখে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন, পৃথিবীর বহু রাজা-মহারাজার বাড়িতে কত রকম ফুলের বাগানই তো দেখলাম কিন্তু বলধা গার্ডেনের মতো বাগান কোথাও দেখিনি। ইংরেজ কবি ওয়ার্ডসওয়ার্থ ডেফোডিল ফুল নিয়ে কবিতা রচনা করেছেন। আর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ক্যামেলিয়ায় মুগ্ধ হয়ে লিখলেন অসাধারণ কবিতা ‘ক্যামেলিয়া’। রবীন্দ্রনাথের এই কবিতা অবলম্বনে ছবিও নির্মিত হয়েছে। সজল সমাদ্দার ছবিটি নির্মাণ করেছেন ইনফোকেয়ারের প্রযোজনায়।

ক্যামেলিয়া কবিতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ক্যামেলিয়া কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 

 

ক্যামেলিয়া কবিতা আবৃত্তিঃ

 

 

আরও দেখুন….